দিন শেষে বেক্সিমকোর শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেনের শীর্ষে উঠে এসেছে। গতকাল শেয়ারটির সমাপনী দর ছিল ২৭ টাকা ২০ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধ (জুলাই-ডিসেম্বর) পর্যন্ত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বেক্সিমকো। আলোচ্য হিসাব বছরের প্রথমার্ধে বেক্সিমকোর শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৭৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮২ টাকা ৫৭ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বেক্সিমকোর শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪১ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৭ টাকা ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯২ টাকা ৫৮ পয়সা।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বেক্সিমকোর ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৯২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৪ টাকা ১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৫ টাকা ১৪ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বেক্সিমকোর ইপিএস হয়েছে ১৪ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকা ১৯ পয়সায়।
২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বেক্সিমকোর ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭৮ টাকা ২৮ পয়সায়।
২০১৯-২০ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে বেক্সিমকোর ইপিএস হয়েছে ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২০ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৯ টাকা ৩৩ পয়সায়।
১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকোর অনুমোদিত মূলধন ৩ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৪৩ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭ হাজার ৫৯২ কোটি ৭১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯৪ কোটি ৩২ লাখ ৩৬ হাজার ২৬২। এর ৩৩ দশমিক ১১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩০ দশমিক ৪৮, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৬৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।